মাশরাফির সেঞ্চুরিতে কলাবাগানের দ্বিতীয় জয়

mashrafeঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে একের এক ম্যাচ হেরে কোণঠাসা মাশরাফি বিন মর্তুজার কলাবাগান। প্রথম পাঁচ ম্যাচে জয় মাত্র একটি, তাও দুর্বল সিসিএসের বিপক্ষে। এ পরিসংখান মাশরাফি নামের সঙ্গে বেমানান। ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় জয়ের পথে থাকা ম্যাচ হারছেন তারা। তাই বোলার থেকে ব্যাটসম্যান হয়েই দলকে জেতালেন মাশরাফি। তার ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ২১ রানের জয় পায় কলাবাগান ক্রীড়া চক্র।

শনিবার ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে মাত্র ৫১ বলে ১০৪ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন মাশরাফি। ৫০ বলে সেঞ্চুরি হাঁকানো তার এ ইনিংস ঘরোয়া ক্রিকেটে কোন বাংলাদেশির দ্রুততম। এদিন চার মারার চেয়ে ছক্কা মারা দিকে বেশি মনযোগী ছিলেন তিনি। ২টি চারের বিপরীতে ছক্কা মারেন ১১টি। এটাও ঘরোয়া ক্রিকেটে কোন বাংলাদেশির সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড।

মাশরাফির এ রেকর্ডময় ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে সাত উইকেটে ৩১৬ রানের সংগ্রহ পায় কলাবাগান। ওপেনার জসীমউদ্দিন খেলেন ৬৪ রানের দারুণ এক ইনিংস। এছাড়া মাসাকাদজা ৪৫ ও তাসামুল ৩৩ রান করেন। শেখ জামালের পক্ষে সোহাগ গাজী ও মাহমুদউল্লাহ ২টি করে উইকেট পান।

ঝড়ো ব্যাটিংয়ের পর শেখ জামালের ইনিংসে বল হাতেও দারুণ সূচনা এনে দেন মাশরাফি। তবে এরপর আবদুল্লাহ আল মামুনকে (৪০) সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন সোহাগ গাজী (৪৭)। ৭১ রানের দারুণ সংগ্রহ করেন এ দুই ব্যাটসম্যান। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা।

সপ্তম উইকেট জুটিতে মুক্তার আলীকে নিয়ে দারুন এক জুটি গড়ে দলকে জয়ের পাথে রাখেন জাবেদ হোসেন। দলের জন্য ৭৪ রান সংগ্রহ করেন তারা। দলীয় ১৯৮ রানে মুক্তার আউট হয়ে গেলে ঝড়ো ব্যাটিং করেন শেষ ব্যাটসম্যান ওয়াহিদুল আলম। তবে তার এ ইনিংস দলের পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ২৯৫ রানে থামে জামালের ইনিংস।

দলের পক্ষে ৬১ বলে সর্বোচ্চ ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন জাবেদ। এছাড়া ৩৮ বলে ৩টি করে চার ও ছক্কায় ৫১ রান করেন মুক্তার। এছাড়া মাত্র ২৭ বলে ২টি চার ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে ৪৯ রান করেন ওয়াহিদুল। শেষ বলে রান আউটের শিকার হয়ে হাফ সেঞ্চুরি মিস করেন তিনি। কলাবাগানের পক্ষে ৩৭ রানে ৪টি উইকেট পান মাসাকাদজা।

Pin It